Saturday , 5 August 2023 | [bangla_date]
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. ইসলাম
  4. খেলাধুলা
  5. জাতীয়
  6. প্রবাস
  7. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  8. রাজনীতি
  9. সারাদেশ

লক্ষীপুরায় ছিনতাই ও মাদক মামলার আসামী দিয়ে মাদক নির্মূল কমিটি।

প্রতিবেদক
Staff Reporter
August 5, 2023 8:29 pm

গাজীপুর প্রতিনিধিঃ-ইব্রাহিম খলিলঃ-

গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানাধীন লক্ষীপুরা এলাকায় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাবেদ আলীর জবের নের্তৃত্বে গঠিত হয়েছে মাদক নির্মূল কমিটি। জানা গেছে, এই কমিটিতে স্থান পাওয়া অধিকাংশ সদস্যরা এলাকার মাদক ব্যবসা, চুরি, ছিনতাই ও মাদক সেবনের সাথে জড়িত।

এদের প্রত্যেক সদস্যের বিরুদ্ধে রয়েছে অস্ত্র,গুলি,মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের মামলা মাদক বিরোধী আন্দোলনে জনগণের জানমাল, সুরক্ষাসহ সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার ব্যাপারে যারা অঙ্গিকারাবদ্ধ তারাই যদি হয় চিহ্নিত মাদক ব্যবসা, মাদাসেবনকারী একাধিক চুরি, ছিনতাই ও হত্যা মামলার আসামী তখন তাদের রুখবে কে? এমন প্রশ্ন এখন সচেতন মহলের। সর্ষের ভেতরে ভূত রেখে যেমন ভূত তাড়ানো যায় না,মাদক যারা রোধ করবে তারাই মাদকের সঙ্গে যুক্তহলে মাদক ব্যবসা রোধ কতটা সম্ভব কি?

জানা যায়, আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে গত ১৪ জুলাই এলাকার শান্তি শৃঙ্খলার লক্ষ্যে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এর ২৭ নং ওয়ার্ড লক্ষীপুরা এলাকায় নামমাত্র মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করে এবং নিজের ইচ্ছেমত মনগড়া মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রকাশ করেন কাউন্সিলর জাবেদ আলী জবে। পুলিশ প্রশাসনকে না জানিয়ে এলাকায় মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা আইনগত বৈধতা আছে কি না তা নিয়ে জনমনে উঠেছে নানা প্রশ্ন?।

সম্প্রতি মাদক নির্মূল কমিটির অন্যতম সদস্য এলাকায় কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রনকারী, স্থানীয় পর্যায়ের মাদক বাণিজ্যে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া, মাদক ব্যবসাসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হোসেন আলীর ছেলে জামিনে মুক্তি পাওয়া তিন মামলার আসামী তৌকির তালুকদারকে গত ২ আগস্ট রাতে আনুমানিক (খুচরা) ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ৫০০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করেছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ। এছাড়াও কমিটিতে স্থান পাওয়া জলিলের ছেলে রনি, বাবুলের ছেলে মাদারি সোহেল, দুলাল মিয়ার ছেলে রিপন,আজিজের ছেলে হৃদয় এরা সকলেই চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী, চুরি ও ছিনতাই মামলার আসামী। তারা প্রত্যেকেই এলাকায় ঘৃণ্য অপরাধের সাথে জড়িত। নিজেরাই রক্ষক হয়ে মাদক নির্মূলের নামে ভক্ষকে পরিনত হয়েছেন।

এলাকায় মাদক নির্মূলের নামে নিরিহ ব্যক্তিদের ধরে এনে মারপিট করে টাকা পয়সা আদায়, মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে রফাদফার নামে হয়রানী করে বেড়াচ্ছে তারা। যা নিয়ে এলাকায় চরম অসন্তোষেরও সৃষ্টি হয়েছে। এক কথায় এলাকায় মাদক নির্মূলের নামে রীতিমত ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। কেউ কিছু বললেই তাদের ওপর নেমে আসছে হুমকি-ধামকি ও নির্যাতন। অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিলরের ছত্রছায়ায় নির্মূল কমিটির সদস্যরা যাকে খুশি তাকে ধরে বেধে আটকে রাখেন এবং নানারকম নিপিড়ন নির্যাতন চালান। তাদের কাছ থেকে মাদক ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিরিহ লোকজন কারো যেন রেহাই নেই। তাদের হাতে নিরিহ লোকজনই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এলাকাবাসী বলছেন, ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিজে কমিটির দায়িত্ব যাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তারা প্রত্যেকেই মাদক ব্যবসা, মসজিদের দানবাক্স চুরি, লুটপাট, ছিনতাই হত্যাসহ দাগী আসামী এবং মাদক সেবনকারী। অভিযোগ রয়েছে, গত রবিবার ৩০ জুলাই মাদক কিনতে আসা হানিফ নামের একজন মাদক সেবনকারীকে মারপিট করে পুলিশের ভয় দেখিয়ে ৩ হাজার টাকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত সোমবার ৩১ জুলাই সন্ধ্যায় তৌকির তালুকদার কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে পুলিশের সহযোগীতা ছাড়াই শহিদের বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। তখন শহিদের বাসা থেকে ৬৭ পিস ইয়াবা, ৩/৪ গ্রাম হিরোইন, ৪টি মোবাইল,১ টি কাটার এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

তৌকির আসামী শহিদকে ৬৭ পিস ইয়াবা,৩/৪ গ্রাম হিরোইন, ৪টি মোবাইল,১ টি কাটার সহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে দেন। কিন্তু শহিদের বাসা থেকে উদ্ধারকৃত ৭৫ হাজার টাকা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেনি। ওই ৭৫ হাজার টাকা তৌকির, হৃদয় (মাদক ব্যবসায়ী) কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ভাগ করে নেয়। পুলিশ প্রশাসনের সহযোগীতা না নিয়ে মাদক নির্মূল কমিটির আইনগত বৈধতা আছে জানতে চাইলে গাজীপুর মেট্রেপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার আবু তোরাব মো: শামসুর রহমান এই প্রতিবেদককে বলেন, তিনি (কাউন্সিলর) এলাকায় যে মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করেছে তার বিষয়ে আমাদেরকে জানায়নি এবং আমাদের সমর্থন নেয়নি।

এদিকে মাদক নির্মূল কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জিয়াউল ইসলাম বলেন, কমিটির বিষয়ে আমি অবগত নই, তবে কমিটিতে থাকা যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাদের বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছি, তাদের ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাবেদ আলী জবের কাছে কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে কমিটির তালিকা থানায় জমা দেওয়া হয়নি।

কমিটির আইনগত বৈধতার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একাধারে চারবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। এলাকাকে মাদক নির্মূল করা আমার নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রথম ধাপ। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী কোন ব্যাক্তি নির্মূল কমিটির সদস্য কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিটির সদস্যদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। মাদক নির্মূল কমিটির অন্যতম সদস্য তৌকির তালুকদারের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে কাউন্সিলর বলেন, পুলিশ তাকে লক্ষীপুরা এলাকা থেকে ধরে নিয়ে উত্তরা থানায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে। বিষয়টি রহস্য জনক। তবে এলাকাবাসী বলছে ভিন্ন কথা, মাদক নির্মূল কমিটিতে যারা সদস্য তারা প্রত্যেকেই চুরি, ছিনতাই মাদক সেবনকারী ও মাদক মামলার আসামী।

Loading

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত

সিরাজগঞ্জ সদর থানা এলাকা হতে ছিনতাই চক্রের ০৫ জন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার।

জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ চাই-শরিফুল ইসলাম রিয়াদ

দিনাজপুর মহিলা পরিষদের প্রতিবাদ নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানী প্রতিহত করতে সবাইকে একত্রিত হতে হবে

খুলনায় মানবাধিকার দিবস পালন।

আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) ফাউন্ডেশন ঠাকুরগাঁও জেলার সভাপতি হকাই ও সাধারণ সম্পাদক মাহি।

ডিএনসি_হবিগঞ্জ মাদকবিরোধী_মোবাইল_কোর্ট _অভিযান।

রংপুরে ঘুমের মধ্যেই না ফেরার দেশে চলে গেলেন বেরোবি শিক্ষাথী আফ্রিদি।

সিরাজগঞ্জে ৬ টি আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ট মাদ্রাসা প্রধান লেন অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা বশির আহমদ।

গাজিপুরে জোরপূর্বক জমি দখল।